
চোখে জ্বালা-পোড়া হলে, চুলকালে, এলার্জি হলে বেশ কিছু সময়ের জন্য ভয় হয় মনে। চোখে বিভিন্ন সময় সমস্যা দেখা দেয়ার কারণগুলো হল অসুখ বা অন্য দৈহিক সমস্যা, ক্লান্তি, কম ঘুম হওয়া, দীর্ঘ সময় কাজ করা, দীর্ঘক্ষণ ধরে টিভি-ল্যাপটপ-কম্পিউটার দেখা, দেহে পুষ্টির অভাব, জলশুন্যতা, অত্যধিক মদ্যপান, ধূমপান করা এবং দুর্বল লিভার।
পরিষ্কার ও ঝলমলে চোখ ও দৃষ্টি পেতে নিজের লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনুন এবং ঘরেই নিজের চোখের যত্ন নিন।
- চোখ ম্যাসেজঃ
চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপায় হল চোখ ম্যাসাজ করা। ম্যাসাজের মাধ্যমে চোখে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।
১) হাতে সামান্য অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল নিয়ে নিন
২) তারপর হাতের আঙুলের সাহায্যে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন
৩) প্রতিদিন ১ বার চোখে এইভাবে ম্যাসাজ করুন
- গোলাপ জল
ক্লান্ত চোখকে মুহূর্তেই সচল করে তুলতে গোলাপ জল খুব উপকারী। গোলাপ জল চোখ ঠাণ্ডা রাখে, চোখের চারপাশের কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) রোধ করে এবং চোখের ফোলা ভাব কমইএ দেয়।
১) দু’ টুকরো কটন বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে নিন
২) শুয়ে পরুন এবং গোলাপ জলে ভেজানো তুলোর টুকরো চোখ বন্ধ করে ওপরে দিয়ে রাখুন
৩) ১০-১৫ মিনিট রেখে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
৪) যখনই চোখ ক্লান্ত লাগবে তখন এই সহজ কাজটি করতে পারেন।
- শসাঃ
ক্লান্ত ও অনুজ্জ্বল চোখের জন্য শসা খুব ভালো। শসার পানীয় উপাদান ক্লান্ত চোখের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে থাকে, চোখের ডার্ক সার্কেল সমস্যা রোধ করে এবং চোখের নিচের ফোলাভাব কমিয়ে দেয়।
১) শসা স্লাইস করে কেটে নিন, তারপর ১০-১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন
২) শুয়ে পরুন, ঠাণ্ডা শসা চোখের ওপরে দিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট
৩) তারপর পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন
৪) চোখের প্রয়োজনে মাঝে মাঝেই এই কাজটি করতে পারেন। আপনি চাইলে একই উপায়ে আলু দিয়ে চোখের যত্ন নিতে পারেন।